এনআইডি অনলাইন কপি ডাউনলোড I কিভাবে এনআইডি কার্ড অনলাইন থেকে পাবো

এখন থেকে অনলাইনেই মিলবে জাতীয় পরিচয় পত্র এর যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যাবে। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন আবেদন, হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া পরিচয়পত্র নতুন করে তোলা,ছবি বা স্বাক্ষর পরিবর্তনের আবেদন সবকিছু হবে এখন এক ক্লিকেই ।   

 

এনআইডি অনলাইন কপি ডাউনলোড I কিভাবে এনআইডি কার্ড অনলাইন থেকে পাবো

কিভাবে অনলাইন থেকে আইডি কার্ড ডাউনলোড করব |

কিভাবে অনলাইন থেকে,স্মার্ট কার্ড  বা আইডি কার্ড ,ডাউনলোড করবেন । যা দিয়ে সবকিছু করতে পারেন । অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে । আসুন দেখে নেওয়া যাক, কীভাবে ডাউনলোড করবেন ।অনলাইন থেকে ডাউনলোড করার জন্য কয়টা পদ্ধতি রয়েছে । কিসের মাধ্যমে অনলাইন থেকে । আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে চান । 

ভোটার নিবন্ধন করার সময়,ছবি তোলা শেষ হলে। একটা স্লিপ আপনাকে দিয়ে দেয় । ওই স্লিপ নাম্বার দিয়ে, আইডি কার্ড ডাউনলোড ,করতে পারেন অনলাইন থেকে । জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন করার সময় । একটা ফোন নাম্বার ব্যবহার করতে হয় । ফোন নম্বরে, এসএমএস এর মাধ্যমে । আপনার স্মার্ট কার্ড নাম্বারটি দিয়ে দেয়া হয়। আপনি ওই নম্বর ব্যবহার করেও রেজিস্ট্রেশন করে ,আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারেন। 

 

স্লিপ নম্বর অথবা স্মার্ট কার্ড নাম্বার । এরপর জন্মতারিখ, আপনার জন্ম তারিখটি সঠিকভাবে, ব্যবহার করতে হবে। প্রথমে দিন, তারপরে মাস, তারপরে বছর । অর্থাৎ আপনি কোন দিনে, কোন মাসে, কোন সালে, জন্মগ্রহণ করেছেন নাম্বারটি সঠিক হতে হবে । 

 

01 > এবার জাতীয় পরিচয় পত্র । (এনআইডিডব্লিউ )অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন । এই লিংকটিতে ক্লিক করুন । অথবা গুগল থেকে সার্চ করে আসতে পারেন ।

02 > এবার অনলাইন সার্ভিস এ ক্লিক করুন। এই লিংকে হয়তো কখনো পরিবর্তিত হতে পারে । যার কারণে হোমপেজ থেকে। ক্লিক করে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে বলব । এখানে ক্লিক করে বিশাল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন ।
03 > এবার রেজিস্ট্রেশন এই বাটনে ক্লিক করুন। আমরা যেহেতু নতুন ভোটার, নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করব । তার জন্য আমরা এখানে ক্লিক করে, স্মার্ট কার্ড নম্বর ব্যবহার করে. রেজিস্ট্রেশন করব ।

04 > এবার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার অথবা ভোটার হওয়ার সময়, যে সিলিপ দিয়েছে সে স্লিপ নাম্বার লিখুন । তারপর জন্ম তারিখ সঠিক ভাবে লিখুন । উদাহরণস্বরূপ ( 12345678910) (25 - 12 - 1990 )


5 > এবার এখানে থাকা লেখাগুলো নিচের ঘরে টাইপ করুন। তারপর পরবর্তীপাতা এ ক্লিক করুন । 

06 > এবার অপেক্ষা করুন এবং সঠিক নিয়মে পরবর্তী পাতায় ক্লিক করুন ।
 

07 > এবার আপনার ঠিকানা সঠিকভাবে দিন। আপনি কোন জেলা থেকে আইডি কার্ড করেছেন । প্রথমে বিভাগ, তারপরে জেলা ,তারপর উপজেলা ।

08 > এবার আপনার ঠিকানা সঠিকভাবে দিন। আপনি কোন জেলা থেকে জন্মগ্রহণ করেছেন । প্রথমে বিভাগ, তারপরে জেলা ,তারপর উপজেলা । সঠিকভাবে তথ্য দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন ।
09 > এবার আপনার মোবাইল ফোন চেক করুন । নতুন নিবন্ধন করার সময় অর্থাৎ জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন করার সময়, যে ফোন নম্বরটি ব্যবহার করেছেন। ফোন নম্বরে একটা ভেরিফিকেশন কোড পাঠানো হবে। যার মাধ্যমে এখানে ভেরিফাই করতে হবে । দয়া করে মোবাইল চেক করুন। মোবাইলে যে কোড দেয়া হয়েছে। এখানে টাইপ করে, পরবর্তী পাতায় ক্লিক করুন।
10 > যদি ফোন নম্বরটি আপনার কাছে না থাকে বা হারিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে আপনি এখান থেকে ফোন নাম্বার চেঞ্জ করে নিতে পারেন । যদি কাছে থাকে তাহলে পাঠান এ ক্লিক করুন।
 

11 > এবার আপনার মোবাইল নাম্বার চেক করুন । ভেরিফিকেশন কোড পাঠানো হয়েছে । ভেরিফিকেশন কোড এখানে লিখুন । তারপর পরবর্তীপাতা। এবার বহল এই বাটনে ক্লিক করুন।
 

12 > এবার এই পাতায় আপনার ফেইস দিয়ে রিয়েল ব্যক্তি আপনি কি না । তা যাচাই করার জন্য আপনাকে কয়েকটা স্টেপ ফলো করতে হবে । যার মাধ্যমে আপনি রিয়েল মানুষ কিনা এটা চেক করা হবে । প্রথমে আপনার মোবাইল ফোন হাতে নিন । গুগল প্লে কনসোলে যান। ছোট্ট একটি অ্যাপস ডাউনলোড করুন । এবার অ্যাপস টি ওপেন করে । আপনার চেহারা এই অ্যাপসটিতে তুলে ধরুন । অটোমেটিকলি কমপ্লিট হবে । নিচে ফলো করুন ।
 

13 > এবার মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে গুগল প্লে স্টোরে ক্লিক করুন। 
 

14 > এবার গুগল প্লে স্টোরের সার্ভারে টাইপ করুন। ( nidw wallet ) প্রথম অ্যাপসটি ইনস্টল করুন।
15 > এবার অ্যাপসটি ইন্সটল করুন । ইনস্টল কমপ্লিট হলে অ্যাপস টি ওপেন করুন ।
 

16 - আপনার পছন্দের ভাষা সিলেক্ট করুন তারপর এগ্রি এন্ড কন্টিনিউ তে ক্লিক করুন ।
 

17 > এবার ক্যামেরা ট্রান অন এখানে ক্লিক করুন ।
 

18 > এবার ক্যামেরা এক্সেস এলাও করুন ।
 

19 এবার ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারে স্কিনে থাকা কিউআর কোডটি স্ক্যানিং করুন  । 
 

20 > এবার স্টার্ট ফেইসক্যাম এখানে ক্লিক করুন। 
 

21 > এবার মোবাইল ফোনের ক্যামেরা টি চেহারা সামনাসামনি ধরুন । টিক চিহ্ন হলে। ডানে এবং বামে চেহারার একটু ঘুরান।
 

22 > এবার সামনা-সামনি এবং ডানে বামে চেহারাটি ঘুরিয়ে টিক চিহ্ন হয়েছে নিশ্চিত করুন।
 

23 > এবার নিশ্চিত হোন চেহারাটি সঠিকভাবে হয়েছে কিনা এবং টিক চিহ্ন অর্থাৎ হলুদ হয়েছে কিনা ।
 

24 > সঠিকভাবে ফেইসক্যাম সম্পূর্ণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই অপশনটির পূরণ হয় সামনের ধাপে যাবে।
 

25 > এবার নিশ্চিত হোন। আপনি কি পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্টে প্রটেক্ট করবেন। অথবা পাসোয়ার্ড ছাড়াও ডাউনলোড করতে পারেন । যখন নতুন করে আবার লগইন করবেন, ফেইসক্যাম দিয়ে এভাবেই আপনাকে পূরণ করে লগইন করতে হবে । পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রটেক্ট করলে, আইডি কার্ড এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে । আমি পাসওয়ার্ড সেট করব না । তাই এড়িয়ে যান এখানে ক্লিক করুন । 

26 > এবার হোমপেজে নিয়ে আসবে হোমপেইজ থেকে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন অতঃপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড শুরু হবে । 
 

27 > এবার ডাউনলোড হচ্ছে ।
 

28 < এবার ওপেন করে দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আইডি কার্ড টি ওপেন করে যাচাই করুন।
 


হয়ে গেল সফলভাবে অনলাইন থেকে স্মার্ট কার্ড অথবা আইডি কার্ড ডাউনলোড করা। যদি কোন সমস্যা হয়। তাহলে নিচের ভিডিওটি দেখে নিবেন । যদি বুঝতে না পারেন, তাহলে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দেবেন । আমরা হেল্প করার চেষ্টা করব। পোষ্ট অথবা ভিডিওটি যদি ভালো লাগে । বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব
 

নিজে নিজের কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কিভাবে উইন্ডোজ সেটআপ করবেন। 

নিজেই নিজের ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারে, উইন্ডোজ সেটআপ করুন । খুব সহজেই লিংক থেকে জেনে নিতে পারেন । কিভাবে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারে উইন্ডোজ সেটআপ করা হয়।  আশা করি আজকের পর থেকে, নিজেই উইন্ডোজ সেটআপ করতে পারবেন । ১০০ শতাংশ  ।

Post a Comment

মূল্যবান মতামতের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ

Previous Post Next Post